Review Notes

About Rajshahi University – VarsityGround

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

Rajshahi University

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দেশের বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে একটি এবং বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় অঞ্চলে শিক্ষার সর্বোচ্চ আসন বিশিষ্ট। 6 জুলাই, 6 জুলাই তার প্রতিষ্ঠার পর, বিশ্ববিদ্যালয়টি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রদানের 62 বছর পূর্ণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি মতিহারের সবুজ প্রাঙ্গনে অবস্থিত, যা পদ্মা নদী এবং সাত কিলোমিটার প্রশস্ত নদীর খুব কাছাকাছি অবস্থিত। রাজশাহী সিটি সেন্টার থেকে পূর্ব দিকে।

ইতিহাস

পূর্ব পাকিস্তানে উত্তরাঞ্চলের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনে পূর্ব পাকিস্তানি সৃষ্টি হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে অনুভূত হয়। এই অঞ্চলে তুলনামূলকভাবে উচ্চশিক্ষায় পিছিয়ে পড়েছিল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরে কেবলমাত্র দেশের মতোই রাজধানীতে অবস্থিত এই অংশে শিক্ষার্থীদের পক্ষে সহজে প্রবেশযোগ্য ছিল না। এই অঞ্চলের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রিয় দাবির পর সরকার একটি সম্ভাব্যতা রিপোর্ট তৈরি করে এবং রাজশাহী এটি প্রতিষ্ঠার জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন 1953 (1953 সালের পূর্ববাংলা আইন এক্সভি) 1953 সালের 31 মার্চ পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়। রাজশাহীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা করার পর গভর্নরের অনুমোদন প্রথমে ঢাকা গেজেটে প্রকাশিত হয়। 16 অক্টোবর 1951 তারিখের অসাধারণ তারিখ এবং ফলস্বরূপ বিশ্ববিদ্যালয়টি কাজ শুরু করে। “বারূ কুঠি”, 18 শতকের ডাচ ট্রেডিং হাউস প্রশাসন ভবন তৈরি করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য অধ্যাপক ইরাত হোসেন জেবেরি ছিলেন। 1954 সালে তার স্বাভাবিক একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে রাজশাহী সরকারি কলেজে ক্লাস শুরু হয়। 1961 সালে বিশ্ববিদ্যালয় তার বর্তমান ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত হয়।

ক্যাম্পাস

প্রায় ৭৫৩ একর বা ৩০৪ হেক্টর এলাকাজুড়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস৷ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে ৫টি উচ্চতর গবেষণা ইন্সটিটিউট, ৯টি অনুষদের অধীনে ৫৬টি বিভাগে বর্তমানে পরিচালিত হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম৷ ক্যাম্পাসের উত্তর পূর্ব দিক জুড়ে রয়েছে ছাত্রদের জন্য ১১টি আবাসিক হল ৷ ছাত্রীদের জন্য রয়েছে ৬টি আবাসিক হল যা ক্যাম্পাসের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত৷ পূর্ব দিকে গবেষকদের জন্য রয়েছে একটি ডরমিটরি। পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে রয়েছে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আবাসিক এলাকা৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা এদেশের সর্বপ্রথম স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।তাছাড়া রয়েছে সাবাস বাংলাদেশ নামে একটি ভাষ্কর্য৷ আরো রয়েছে গোল্ডেন জুবিলি টাওয়ার৷

 

অনুষদসমূহ ও ইন্সটিটিউটসমূহ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বমোট ১০টি অনুষদের অধীনে ৫৯টি বিভাগ রয়েছে এবং অধিভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৪১টি; যার মধ্যে সরকারি ১১টি ও বেসকারি ২৪টি।

অনুষদসমূহঃ

  1. কলা অনুষদ
  2. বিজ্ঞান অনুষদ
  3. প্রকৌশল অনুষদ
  4. কৃষি অনুষদ
  5. বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ
  6. সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ
  7. আইন অনুষদ
  8. জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদ
  9. চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুষদ
  10. চারুকলা অনুষদ

এছাড়া উচ্চতর গবেষণা ইনস্টিটিউট রয়েছে ৫টি। ইন্সটিটিউটসমূহঃ

  1. ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ
  2. ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্স
  3. ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট
  4. পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট
  5. শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট

 

আবাসিক হল সমূহ

শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী হল

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ১৭টি হল এবং একটি আন্তর্জাতিক মানের ডরমেটরি রয়েছে, যার মধ্যে ১১টি হল ছেলেদের এবং ৬টি মেয়েদের হল।

ছেলেদের হল

ছেলেদের সবগুলো হল ক্যাম্পাসের পূর্বদিকে অবস্থিত। হলে কোনো গণরুম নেই।

  • মতিহার হল

রাজশাহীর মতিহার থানার নাম অনুসারে এই হলটির নামকরণ করা হয়। ক্যাম্পাসটি এই থানার অধীনে থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রায়ই বলে থাকেন মতিহারের সবুজ চত্বর। ১৯৫৮ সালে টিনসেড দিয়ে তৈরী করা হয় হলটি। তবে ১৯৮০ সালে নতুন করে আবারও তিনতলা বিশিষ্ট হল তৈরী করা হয়।

  • শের-ই-বাংলা ফজলুল হক হল

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় হলটির নাম ‘শের-ই-বাংলা ফজলুল হক হল’। যদিও ১৯৬২-৭১ সাল পর্যন্ত হলটির নামকরণ ছিল ‘জিন্নাহ হল’। পরবর্তীতে দেশ স্বাধীনের পর ৭২ সালে ফজলুল হকের নাম অনুসারে এই হলটির নামকরণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদ সংলগ্ন জমিতে এই হলটির অবস্থান। এই হলে আবাসিক শিক্ষার্থী রয়েছেন ৩০০ জন। হলটিতে একই কক্ষে চারজন থেকে শুরু করে একক সিটেরও কক্ষ রয়েছে।

  • শাহ্‌ মাখদুম হল

বিশিষ্ট সুফিসাধক হয়রত শাহ মখদুম রুপস এর নাম অনুসারে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় হলটির নামকরণ করা হয় ‘শাহ মখদুম হল’।তিনতলা বিশিষ্ট এ হলটি ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। হলের প্রশাসনিক কাজকর্ম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য হলকে অফিসিয়ালী পূর্ব ও পশ্চিম ব্লকে ভাগ করা হয়েছে। নীচতলা উত্তরে প্রাধ্যক্ষ কক্ষ সহ অতিথি কক্ষ, অফিস সমূহ, লাইব্রেরি ও ইন্টারনেট রুম। পশ্চিমে ক্যান্টিন, পত্রিকা কক্ষ, মসজিদ ও কমনরুম, আর পূর্বে আছে ২ টি ডাইনিং। হলের আসন সংখা ৪৩০। হলের আবাসিক ও অনাবাসিক ছাত্র সংখ্যা যথাক্রমে ৪৩০ ও ১৮৬৮ জন।

  • নবাব আবদুল লতিফ হল

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলেদের চতুর্থ হলটি অবস্থান শাহ মখদুম হলের সামনেই। দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ স্যার নবাব আব্দুল লতিফের নাম অনুসরনে হলটির নামকরণ করা হয়। নবাব আব্দুল লতিফ হলটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে। হলটিতে ৩০০ শিক্ষার্থীর আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এটিই একমাত্র হল যেখানে কোনো রুমেই দুই জনের বেশি শিক্ষার্থী থাকার ব্যবস্থা নেই।

  • সৈয়দ আমীর আলী হল

একই বছর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাবিদ সৈয়দ আমীর আলীর নাম অনুসারে পঞ্চম হলটি নির্মান করা হয়। শাহ মখদুম ও লতিফ হলের পূর্ব পার্শ্বে এই ‘সৈয়দ আমীর আলী হল’টির অবস্থান। হলটিতে ৪২০ জন শিক্ষার্থীর এক সাথে আবাসিকতার ব্যবস্থা রয়েছে। এই হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব চেয়ে বেশি হিন্দু শিক্ষার্থী থাকেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র এই হলটিতেই হিন্দু শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা একটি ডাইনিং চালু রয়েছে। এছাড়া মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ডাইনিংসহ খাওয়ার জন্য রয়েছে একটি ক্যান্টিন।

  • শহীদ শামসুজ্জোহা হল

বাংলাদেশের প্রথম শহীদ শিক্ষক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক এবং সাবেক প্রক্টর শহীদ শামসুজ্জোহার নাম অনুসরণে এখানে ষষ্ট হলটি নির্মাণ করা হয়। ১৯৬৯ সালে শহীদ শামসুজ্জোহা হলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বপাড়ায় বধ্যভূমি এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিনোদপুর গেইট দিয়ে উত্তর দিকে বেশ কিছুটা পথ আসার পরই এই হলটি পাওয়া যাবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষকদের জন্য শহীদ মীর আব্দুল কাইয়ূম ডরমেটরি নামে একমাত্র আন্তর্জাতিক হলের সামনেই হলটির অবস্থান। এই হলটিতে একসাথে ৩২০ জন শিক্ষার্থীর আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে।

  • শহীদ হবিবুর রহমান হল

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গনিত বিভাগের অধ্যাপক হবিবুর রহমান। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ হবিবুর রহমান নামে একটি হল প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে কিছুটা সামনে এসে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন থেকে কিছুটা পা বাড়ালে দেখা মিলবে সপ্তম হলটির। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই হলটিতেই সর্বোচ্চ ছাত্রের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। হলটিতে একসাথে ৬১৪ শিক্ষার্থীর আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। সম্প্রতি হলটি নতুনভাবে নির্মান করা হয়। হলটির সামনে হবিবুর রহমানের একটি প্রতিকৃতি তৈরী করা হয়েছে।

  • মাদার বক্স হল

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্ন¯্রষ্টা অধ্যাপক মাদার বখশের নামের সাথে মিল রেখে অষ্টম হলটি নির্মাণ করা হয় ১৯৭৪ সালে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেলস্টেশন এলাকায় মাদার বখ্শ হলের অবস্থান। হলটিতে একসাথে ৫৮৪ জন শিক্ষার্থী থাকতে পারেন।

  • শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবম হলটি নির্মাণ করা হয় ১৯৭৮ সালে। শহীদ সোহরাওয়ার্দী নামে এই হলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদার বখ্শ হলের পিছনে স্টেশন এলাকায়। হলটিতে ৫৯২ জন শিক্ষার্থীর আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। হলটিতে একক সিট থেকে শুরু করে এক কক্ষে চারজন শিক্ষার্থীরও থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।

  • শহীদ জিয়াউর রহমান হল

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম অনুসরণে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দশম হলটি বির্মাণ করা হয় ১৯৯৩ সালে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদার বখশ ও শহীদ হবিবুর রহমনা হলের মাঝখানে এই হলটির অবস্থান। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেডিয়াম থেকে কিছুটা উত্তর পার্শ্বে এই হলটি। ৫৯৮ জন শিক্ষার্থী একসাথে হলটিতে থাকতে পারেন।

  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল

বাংলাদেশের রূপকার বঙ্গবন্ধুর নাম অনুসারে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সর্বশেষ হলটি নির্মাণ করা হয় ২০০৩ সালে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলটি বিশ্ববিদ্যালরে কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেয়িার পেছনে অবস্থিত। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র এই হলেই গবেষকদের থাকার জন্য আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে। হলটিতে ৪৫০ জন শিক্ষার্থীর এক সাথে আবাসন ব্যবস্থা পেয়ে থাকেন।

মেয়েদের হল

মেয়েদের হলগুলো মূল ক্যাম্পাসের পশ্চিম পাশে অবস্থিত।

  • মন্নুজান হল

ক্যাম্পাসের প্রথম এই ছাত্রী হল নির্মিত হয় স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রায় ৭ বছর পূর্বে। ১৯৬৪ সালে ছাত্রীদের প্রথম আবাসিক হল দানবীর হাজি মুহম্মদ মহসিনের বড় বোন বেগম মন্নুজানের নামানুসারে নামকরণ করা হয়।

  • রোকেয়া হল

মুসলিম নারী শিক্ষা আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেনের স্মৃতির উদ্দেশে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের দ্বিতীয় আবাসিক হল স্থাপিত হয় ১৯৮০ সালে।

  • তাপসী রাবেয়া হল

ছাত্রীদের তৃতীয় আবাসিক হলের নামকরণ করা হয়েছে তাপসী রাবেয়া হল।

  • বেগম খালেদা জিয়া হল

২০০১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় ছাত্রীদের চতুর্থ হল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামানুসারে এ হলের নাম রাখা হয় ‘বেগম খালেদা জিয়া হল’।

  • রহমতুন্নেসা হল

মেয়েদের জন্য নির্মিত ৫ম হল এটি।

  • বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হল

এই হলটির নামকরণ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী এবং বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাতা “বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের” নামানুসারে ।

এছাড়াও গবেষক ও বিদেশী ছাত্রছাত্রীদের জন্য একটি আন্তর্জাতিক মানের ডরমেটরি রয়েছে। যার নাম শহীদ মীর আব্দুল কাইয়ুম ইন্টারন্যাশনাল ডরমেটরি।

 

 

যোগাযোগ করুনঃ

রেজিস্ট্রার

প্রশাসন বিল্ডিং 1

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ

তেল – 880 721 750244

ফ্যাক্স – 880 721 750064

ইমেইল – registrar@ru.ac.bd

Tags

Sabbir Ahmed

A Dreamer! I Wanna Learn From You. Do You Tech Me? If Not, Then Learn Something From Me.
Back to top button
Close